1. bdnosan007@gmail.com : https://www.koborpatiya.online/ https://www.koborpatiya.online/ : https://www.koborpatiya.online/ https://www.koborpatiya.online/
  2. info@www.koborpatiya.online : খবর পটিয়া :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদে অসহায়দের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে নজির আহমদ দোভাষ ফাউন্ডেশন পটিয়া পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডে ঈদ জামাত উদযাপন পরিষদের ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন উন্নয়ন ও গণমাধ্যম সহযোগিতায় জোর দিলেন এমপি এনামুল হক এনাম শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত যুবদল নেতা শওকত আকবর মুন্নার জন্মদিন পটিয়ার জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে কাজ করবো: এনামুল হক এনাম এমপি পটিয়া প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঐক্য ও সম্প্রীতির আহ্বান বক্তাদের মক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল পটিয়ার প্রবাসী মফিজুর রহমানের রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সরাসরি অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ পটিয়ায় তেলের দোকান বন্ধ, কৃত্রিম সংকটে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপি এনামের পরিদর্শন: জনবল সংকট ও দালালচক্র বন্ধে কঠোর বার্তা

পটিয়ায় দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ অভিভাবকদের ক্ষোভ তদন্তের দাবি

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮১৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব সংবাদদাতা  :
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শশাঙ্ক মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মোহছেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেনী পযন্ত ভর্তি করাতে অভিভাবকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী অভিভাবকদের দাবি, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা ছাড়া ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে না। এতে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“সরকারি স্কুলে ভর্তি ফ্রি থাকার কথা, অথচ টাকা ছাড়া ভর্তি হবে না—এমন কথা আমাদের বলা হয়েছে। বাধ্য হয়েই অনেকেই টাকা দিচ্ছেন।”
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রতিবছর শিক্ষাবর্ষ শুরুর সময় কিছু অসাধু ব্যক্তি ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। এতে করে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শশাঙ্ক মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলুয়ারা বেগম বলেন সরকারি বরাদ্দ না পাওয়ার জন্য স্কুলের দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে কষ্ট হয়,অফিসের পিয়নের বেতন বাবদ প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়,সেজন্য অবিভাবকদের বলে আমরা টাকাটা নিচ্ছি, কারও কাছ থেকে জোর করে নেওয়া হচ্ছে না,তিনি আরো বলেন ভর্তি কার্যক্রম সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করেই পরিচালিত করছি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করলে সেটা সত্য নয় বলে জানান।
মোহছেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চাঁদ সোলতানা ও একই কথা বলেন,তিনি বলেন টাকা নেওয়ার বিষয়ে যদি অবিভাবকদের আপত্তি থাকে, তাহলে আর নেওয়া হবে না।
পটিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন,
“ভর্তি সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট